০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪, ১ কার্তিক ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিশ্বব্যাংক থেকে ৯০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পেল বাংলাদেশ

  • আপডেট: ১১:০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪
  • 20

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে দুই প্রকল্পে ঋণ হিসেবে ৯০০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে। প্রকল্প দুটো হলো— জলবায়ু সহিষ্ণু ও টেকসই প্রবৃদ্ধি, শহরাঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আর্থিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক খাতে নীতিমালা জোরালো করা।

বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার (২১ জুন) এ তথ্য জানানো হয়। বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের বোর্ড এই ঋণের অনুমোদন দেয়। বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে শেখ বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যান্য সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন অর্থায়ন বাংলাদেশকে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহায়তা করবে— একটি হচ্ছে আর্থিক খাত ও নগর ব্যবস্থাপনা এবং অন্যটি উচ্চ মধ্যম-আয়ের দেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন।

বিশ্বব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দুই কিস্তি ঋণের শেষ কিস্তি হিসেবে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সংস্কারের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের গতি বাড়াবে।

এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনসহ ভবিষ্যতে যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

বিশ্বব্যাংক থেকে ৯০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পেল বাংলাদেশ

আপডেট: ১১:০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে দুই প্রকল্পে ঋণ হিসেবে ৯০০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে। প্রকল্প দুটো হলো— জলবায়ু সহিষ্ণু ও টেকসই প্রবৃদ্ধি, শহরাঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আর্থিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক খাতে নীতিমালা জোরালো করা।

বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার (২১ জুন) এ তথ্য জানানো হয়। বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের বোর্ড এই ঋণের অনুমোদন দেয়। বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে শেখ বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যান্য সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন অর্থায়ন বাংলাদেশকে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহায়তা করবে— একটি হচ্ছে আর্থিক খাত ও নগর ব্যবস্থাপনা এবং অন্যটি উচ্চ মধ্যম-আয়ের দেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন।

বিশ্বব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দুই কিস্তি ঋণের শেষ কিস্তি হিসেবে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সংস্কারের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের গতি বাড়াবে।

এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনসহ ভবিষ্যতে যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা করবে।