০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সম্পত্তির মামলায় হেরে ভারতে প্রকাশ্যে বাবাকে হত্যা করল ছেলে

  • আপডেট: ০১:০৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • 19

ভারতের মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় হেরে ৮২ বছর বয়সী বাবাকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১২ জুন) এনডিটিভি প্রকাশিত এক প্রতিবেওনে জানানো হয়, নিহত জাফর কামরুদ্দিন সাইয়্যেদ প্যাটেল পানিসম্পদ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও নির্যাতনের অভিযোগে তিনি নিজের ছেলে আবদুল রেহমান আবদুল জাফরের বিরুদ্ধে প্রায় দুই বছর ধরে আইনি লড়াই চালিয়ে আসছিলেন।

পুলিশ জানায়, মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে কর্মরত আবদুল রেহমান নিয়মিত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ করতেন এবং তাদের মারধর করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে জাফর প্যাটেল পুনেতে মেয়ের বাসায় চলে যান এবং নিজের বাড়ি থেকে ছেলেকে উচ্ছেদের জন্য আদালতে মামলা করেন।

সম্প্রতি আদালত জাফর প্যাটেলের পক্ষে রায় দেন এবং বাড়ির মালিকানা পুনরায় তার কাছে ফিরিয়ে দিয়ে ছেলেকে উচ্ছেদের নির্দেশ দেন।
রায় পাওয়ার পর আদালত থেকে বাড়ি ফেরার পথে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষুব্ধ আবদুল রেহমান তার বাবার অটোরিকশার গতিরোধ করেন এবং সড়কের মাঝখানেই প্রকাশ্যে তাকে ছুরিকাঘাত করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় জাফর প্যাটেলকে উদ্ধার করা হলেও তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় ভাইয়ের হাত থেকে বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে সঙ্গে থাকা মেয়েও হামলায় আহত হন। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত আবদুল রেহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।

 

Tag :

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু) এর গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে রাজধানীতে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ মিছিল

সম্পত্তির মামলায় হেরে ভারতে প্রকাশ্যে বাবাকে হত্যা করল ছেলে

আপডেট: ০১:০৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

ভারতের মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় হেরে ৮২ বছর বয়সী বাবাকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১২ জুন) এনডিটিভি প্রকাশিত এক প্রতিবেওনে জানানো হয়, নিহত জাফর কামরুদ্দিন সাইয়্যেদ প্যাটেল পানিসম্পদ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও নির্যাতনের অভিযোগে তিনি নিজের ছেলে আবদুল রেহমান আবদুল জাফরের বিরুদ্ধে প্রায় দুই বছর ধরে আইনি লড়াই চালিয়ে আসছিলেন।

পুলিশ জানায়, মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে কর্মরত আবদুল রেহমান নিয়মিত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ করতেন এবং তাদের মারধর করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে জাফর প্যাটেল পুনেতে মেয়ের বাসায় চলে যান এবং নিজের বাড়ি থেকে ছেলেকে উচ্ছেদের জন্য আদালতে মামলা করেন।

সম্প্রতি আদালত জাফর প্যাটেলের পক্ষে রায় দেন এবং বাড়ির মালিকানা পুনরায় তার কাছে ফিরিয়ে দিয়ে ছেলেকে উচ্ছেদের নির্দেশ দেন।
রায় পাওয়ার পর আদালত থেকে বাড়ি ফেরার পথে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষুব্ধ আবদুল রেহমান তার বাবার অটোরিকশার গতিরোধ করেন এবং সড়কের মাঝখানেই প্রকাশ্যে তাকে ছুরিকাঘাত করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় জাফর প্যাটেলকে উদ্ধার করা হলেও তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় ভাইয়ের হাত থেকে বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে সঙ্গে থাকা মেয়েও হামলায় আহত হন। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত আবদুল রেহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।