১২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আ.লীগ নেতা সুমন গ্রেফতার, ২৩৭ কোটি টাকা ব্যাংকে জমা

  • আপডেট: ০৩:৪৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪
  • 123

২৩৭ কোটি টাকার মালিক লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুমন খান ওরফে হুন্ডি সুমনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১১ নভেম্বর) রাত ১১টার দিকে ঢাকা-লালমনিরহাট মহাসড়কের তিস্তা সেতুর টোল প্লাজা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের এএসপি একেএম ফজলুল হক।

গত ৩১ অক্টোবর সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল হাই সরকার বাদী হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে একটি মামলা করেন। মানি লন্ডারিং মামলা ছাড়াও সুমনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া, মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, লালবাগ থানায় হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ ১০টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় গ্রেফতার দেখানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এএসপি একেএম ফজলুল হক বলেন, তার বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার সকালে আদালতে তোলা হবে।

মামলার এজাহার ও সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, সুমন খানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ অর্থ, চোরাচালান, মাদক ব্যবসা, স্বর্ণ ও টাকা পাচারের বিষয়ে দীর্ঘদিন অনুসন্ধান করে লালমনিরহাট সিআইডি। অনুসন্ধানে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২৩৭ কোটি ৪৯ লাখ ৪৮ হাজার ৭৬০ টাকা, তার স্ত্রী নাহিদা আক্তার রুমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চার কোটি ৩৯ লাখ ৩৫ হাজার ৩১০ টাকার সন্ধান পায় সিআইডি। এ ছাড়া সুমন খানের কর্মচারী লালমনিরহাট পুরান বাজার এলাকার বাসিন্দা তৌকির আহমেদ মাসুমের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১৮৬ কোটি ৯৫ লাখ ৬২ হাজার ১২৭ টাকা পাওয়া গেছে। বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা, স্থানান্তর ও পাচার করা হয়। এসব অপরাধে মানি লন্ডারিং আইনের ৪(২) ধারায় তাদের তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সিআইডি।

Tag :

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

আ.লীগ নেতা সুমন গ্রেফতার, ২৩৭ কোটি টাকা ব্যাংকে জমা

আপডেট: ০৩:৪৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

২৩৭ কোটি টাকার মালিক লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুমন খান ওরফে হুন্ডি সুমনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১১ নভেম্বর) রাত ১১টার দিকে ঢাকা-লালমনিরহাট মহাসড়কের তিস্তা সেতুর টোল প্লাজা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের এএসপি একেএম ফজলুল হক।

গত ৩১ অক্টোবর সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল হাই সরকার বাদী হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে একটি মামলা করেন। মানি লন্ডারিং মামলা ছাড়াও সুমনের বিরুদ্ধে আশুলিয়া, মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, লালবাগ থানায় হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ ১০টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় গ্রেফতার দেখানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এএসপি একেএম ফজলুল হক বলেন, তার বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার সকালে আদালতে তোলা হবে।

মামলার এজাহার ও সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, সুমন খানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ অর্থ, চোরাচালান, মাদক ব্যবসা, স্বর্ণ ও টাকা পাচারের বিষয়ে দীর্ঘদিন অনুসন্ধান করে লালমনিরহাট সিআইডি। অনুসন্ধানে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২৩৭ কোটি ৪৯ লাখ ৪৮ হাজার ৭৬০ টাকা, তার স্ত্রী নাহিদা আক্তার রুমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চার কোটি ৩৯ লাখ ৩৫ হাজার ৩১০ টাকার সন্ধান পায় সিআইডি। এ ছাড়া সুমন খানের কর্মচারী লালমনিরহাট পুরান বাজার এলাকার বাসিন্দা তৌকির আহমেদ মাসুমের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১৮৬ কোটি ৯৫ লাখ ৬২ হাজার ১২৭ টাকা পাওয়া গেছে। বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা, স্থানান্তর ও পাচার করা হয়। এসব অপরাধে মানি লন্ডারিং আইনের ৪(২) ধারায় তাদের তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সিআইডি।