০৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজনৈতিক দলগুলোর বৈরিতা পরিহার করে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে।: সিইসি

  • আপডেট: ১১:২৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪
  • 125

ছবি: সংগৃহীত

বিরাজমান রাজনৈতিক বৈরিতাকে প্রকট উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনও কোনো আলাপ-আলোচনা দেখছি না। তাদের মধ্যে বৈরিতা অত্যন্ত প্রকট। এত প্রকট বৈরিতা নিয়ে সামনে এগোনো খুব কঠিন হবে। এই বৈরিতা পরিহার করে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে।

রোববার (২ জুন) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা টিআইবিকে বলেছি, জাতীয় নির্বাচন ধাপে ধাপে করা যায় কিনা, সে ব্যাপারে জনমত গড়ে তুলতে। কারণ ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজন করতে পারলে নির্বাচনকে আরও বেশি সুষ্ঠু করা যাবে। কারণ, তখন আরও বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা যাবে। আরও বেশি পোলিং এজেন্ট মোতায়েন করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, অনেকদিন ধরে তৃণমূলে উপজেলা নির্বাচন কয়েক দফায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারও ষষ্ঠ ধাপের নির্বাচন চার দফায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের সংলাপেও কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কয়েক ধাপে জাতীয় নির্বাচন করার পরামর্শ এসেছিল।

নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সামর্থ্য সীমিত। যতটুকু করা সম্ভব আমরা চেষ্টা করি। আমাদের অনন্ত সক্ষমতা আছে, তা মোটেই না। নির্বাচন কমিশন একা কখনোই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারবে না। যদি না রাষ্ট্র ও সরকারের পলিটিক্যাল উইল এর স্বপক্ষে থাকে। রাষ্ট্র ও সরকারের পলিটিক্যাল স্বপক্ষে থাকলে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সঠিক দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হবে।

টিআইবিকে আমরা বলেছি, আপনাদের মতো আরো সিভিল সোসাইটি যারা আছে, তারাও এসব বিষয়ে ভূমিকা পালন করতে পারেন।

এর আগে, বেলা সাড়ে এগারোটায় আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাকক্ষে (কক্ষ নং ৩১৪) নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠকে বসে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর একটি প্রতিনিধি দল।

এতে টিআইবির পক্ষ থেকে নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানসহ মোট পাঁচজন অংশ নেন। আর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.), নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা, নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর, নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান, নির্বাচন কমিশন সচিব শফিউল আজিম অংশ নিয়েছেন।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

দেশ আর কখনো স্বৈরশাসনের পথে ফিরবে না: ড. ইউনূস

রাজনৈতিক দলগুলোর বৈরিতা পরিহার করে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে।: সিইসি

আপডেট: ১১:২৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪

বিরাজমান রাজনৈতিক বৈরিতাকে প্রকট উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনও কোনো আলাপ-আলোচনা দেখছি না। তাদের মধ্যে বৈরিতা অত্যন্ত প্রকট। এত প্রকট বৈরিতা নিয়ে সামনে এগোনো খুব কঠিন হবে। এই বৈরিতা পরিহার করে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে।

রোববার (২ জুন) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা টিআইবিকে বলেছি, জাতীয় নির্বাচন ধাপে ধাপে করা যায় কিনা, সে ব্যাপারে জনমত গড়ে তুলতে। কারণ ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজন করতে পারলে নির্বাচনকে আরও বেশি সুষ্ঠু করা যাবে। কারণ, তখন আরও বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা যাবে। আরও বেশি পোলিং এজেন্ট মোতায়েন করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, অনেকদিন ধরে তৃণমূলে উপজেলা নির্বাচন কয়েক দফায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারও ষষ্ঠ ধাপের নির্বাচন চার দফায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের সংলাপেও কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কয়েক ধাপে জাতীয় নির্বাচন করার পরামর্শ এসেছিল।

নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সামর্থ্য সীমিত। যতটুকু করা সম্ভব আমরা চেষ্টা করি। আমাদের অনন্ত সক্ষমতা আছে, তা মোটেই না। নির্বাচন কমিশন একা কখনোই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারবে না। যদি না রাষ্ট্র ও সরকারের পলিটিক্যাল উইল এর স্বপক্ষে থাকে। রাষ্ট্র ও সরকারের পলিটিক্যাল স্বপক্ষে থাকলে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সঠিক দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হবে।

টিআইবিকে আমরা বলেছি, আপনাদের মতো আরো সিভিল সোসাইটি যারা আছে, তারাও এসব বিষয়ে ভূমিকা পালন করতে পারেন।

এর আগে, বেলা সাড়ে এগারোটায় আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাকক্ষে (কক্ষ নং ৩১৪) নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠকে বসে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর একটি প্রতিনিধি দল।

এতে টিআইবির পক্ষ থেকে নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানসহ মোট পাঁচজন অংশ নেন। আর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.), নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা, নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর, নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান, নির্বাচন কমিশন সচিব শফিউল আজিম অংশ নিয়েছেন।