০৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইলিশ ধরতে গিয়ে আটক ব্যাংকের এজিএম

  • আপডেট: ০৮:২৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪
  • 113

ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞার শেষ সময়ে ইলিশ ধরার অপরাধে কৃষি ব্যাংকের এজিএম কাইয়ুম খানসহ ১৪ জেলেকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। রোববার দুপুর (৩ নভেম্বর) বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নৌ-পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

নৌ পুলিশ সুপার জানান, মেঘনা নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১টি জেলে নৌকায় ৭ জনকে আটক করা হয়। ওই নৌকা থেকে চাঁদপুর কৃষি ব্যাংক শাখার এজিএম কাইয়ুম খানকে আটক করা হয়। এছাড়া প্রায় ১ লাখ মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার এবং ১০০ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। আটক ১৪ জনের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে নিয়মিত মামলা করা হবে।

আটক ব্যাংক কর্মকর্তা কাইয়ুম খান কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা। তিনি ব্যাংকের ভবনে থাকতেন। মাছ ধরতে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কাইয়ুম খান বলেন, ‘আমি জানতাম না মা ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলছে। জেলে নৌকাটি আমার একজন পরিচিতি লোকের। ওই নৌকায় জেলেদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছি।

এদিকে ২২ দিনের অভিযান প্রসঙ্গে সংক্ষিপ্ত প্রেসবিফ্রিং করেন চাঁদপুর অঞ্চলের নৌ পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান। তিনি জানান, ২২ দিনের অভিযানে ৩৪৬ জেলে গ্রেফতার, ৭৫ লাখ ৯৭ হাজার মিটার জাল, ২ হাজার ৪৭৯ কেজি মাছসহ ১১৪টি নৌকা জব্দ করা হয়। এছাড়া ২৯টি মোবাইল কোর্টে ১৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়।

এদিকে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সোমবার মধ্যরাত থেকে আবার মাছ শিকার শুরু হবে। এরইমধ্যে নদীতে নামতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছেন জেলেরা।

Tag :

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় লন্ডন-বাংলা প্রেস ক্লাবের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

ইলিশ ধরতে গিয়ে আটক ব্যাংকের এজিএম

আপডেট: ০৮:২৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ নভেম্বর ২০২৪

চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞার শেষ সময়ে ইলিশ ধরার অপরাধে কৃষি ব্যাংকের এজিএম কাইয়ুম খানসহ ১৪ জেলেকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। রোববার দুপুর (৩ নভেম্বর) বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নৌ-পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

নৌ পুলিশ সুপার জানান, মেঘনা নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১টি জেলে নৌকায় ৭ জনকে আটক করা হয়। ওই নৌকা থেকে চাঁদপুর কৃষি ব্যাংক শাখার এজিএম কাইয়ুম খানকে আটক করা হয়। এছাড়া প্রায় ১ লাখ মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার এবং ১০০ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। আটক ১৪ জনের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে নিয়মিত মামলা করা হবে।

আটক ব্যাংক কর্মকর্তা কাইয়ুম খান কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা। তিনি ব্যাংকের ভবনে থাকতেন। মাছ ধরতে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কাইয়ুম খান বলেন, ‘আমি জানতাম না মা ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলছে। জেলে নৌকাটি আমার একজন পরিচিতি লোকের। ওই নৌকায় জেলেদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছি।

এদিকে ২২ দিনের অভিযান প্রসঙ্গে সংক্ষিপ্ত প্রেসবিফ্রিং করেন চাঁদপুর অঞ্চলের নৌ পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান। তিনি জানান, ২২ দিনের অভিযানে ৩৪৬ জেলে গ্রেফতার, ৭৫ লাখ ৯৭ হাজার মিটার জাল, ২ হাজার ৪৭৯ কেজি মাছসহ ১১৪টি নৌকা জব্দ করা হয়। এছাড়া ২৯টি মোবাইল কোর্টে ১৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়।

এদিকে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সোমবার মধ্যরাত থেকে আবার মাছ শিকার শুরু হবে। এরইমধ্যে নদীতে নামতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছেন জেলেরা।