০২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্ত্রাস ও সহিংসতায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে: কাদের

  • আপডেট: ১১:১৮:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪
  • 141

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো সাধারণ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার বা নির্যাতন করেনি বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (২৯ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি করেন।

কাদের বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাস ও সহিংসতায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অথচ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থীদের উসকানি দেওয়া হচ্ছে। সব উসকানি ও নৈরাজ্যের মুখেও সরকার সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সংযম ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, সরকার শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ করার পরেও মির্জা ফখরুল সরকারের পদত্যাগ দাবি করছেন। সরকারের পদত্যাগের দাবি শুধু বিএনপি-জামায়াতের।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সশস্ত্র ক্যাডাররা রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা করেছে। যারা এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। জনগণের শান্তি, শৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ কঠোরতা প্রদর্শন করবে।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত দেশবিরোধী অপশক্তি বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করছে। তারা যেকোনো প্রকারে ক্ষমতা দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশের অর্জিত গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়ে ক্ষমতা দখলের জন্য ষড়যন্ত্র ও নৈরাজ্য সৃষ্টি এখন বিএনপি নেতাদের একমাত্র কৌশল। যেকোনো আন্দোলন দেখলেই তারা সেখানে অনুপ্রবেশ করে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দিতে উন্মত্ত হয়ে ওঠে।

Tag :

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় লন্ডন-বাংলা প্রেস ক্লাবের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

সন্ত্রাস ও সহিংসতায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে: কাদের

আপডেট: ১১:১৮:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো সাধারণ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার বা নির্যাতন করেনি বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (২৯ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি করেন।

কাদের বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাস ও সহিংসতায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অথচ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থীদের উসকানি দেওয়া হচ্ছে। সব উসকানি ও নৈরাজ্যের মুখেও সরকার সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সংযম ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, সরকার শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ করার পরেও মির্জা ফখরুল সরকারের পদত্যাগ দাবি করছেন। সরকারের পদত্যাগের দাবি শুধু বিএনপি-জামায়াতের।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সশস্ত্র ক্যাডাররা রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা করেছে। যারা এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। জনগণের শান্তি, শৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ কঠোরতা প্রদর্শন করবে।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত দেশবিরোধী অপশক্তি বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করছে। তারা যেকোনো প্রকারে ক্ষমতা দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশের অর্জিত গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়ে ক্ষমতা দখলের জন্য ষড়যন্ত্র ও নৈরাজ্য সৃষ্টি এখন বিএনপি নেতাদের একমাত্র কৌশল। যেকোনো আন্দোলন দেখলেই তারা সেখানে অনুপ্রবেশ করে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দিতে উন্মত্ত হয়ে ওঠে।