১০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীন পাল্টে দিল উইঘুরের মুসলিম গ্রামের নাম

  • আপডেট: ০৫:০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪
  • 129

নরওয়ের একটি সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে উইগুর মুসলিমদের নিয়ে কাজ করে। তাদের সঙ্গে একত্রে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সেখানে বলা হয়েছে, নিজেদের কমিউনিস্ট আদর্শ প্রচার করতে শিনজিয়াং প্রদেশে তিন হাজার ৬০০টি গ্রামের নাম বদলে দিয়েছে চীনের প্রশাসন।

২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে জাতীয় পরিসংখ্যান বিভাগে নথিভুক্ত ২৫ হাজার গ্রামের নাম নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে সংস্থা দুইটি। সেখানেই তারা দেখতে পেয়েছে, তিন হাজার ৬০০টি গ্রামের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ আছে, এর মধ্যে প্রায় ৬৩০টি গ্রাম সরাসরি উইঘুর মুসলিমদের। তাদের গ্রামের নামের সঙ্গে উইঘুর বা মুসলিম সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট শব্দ যুক্ত ছিল। সেই শব্দগুলো বাদ দিয়ে নতুন নামকরণ করা হয়েছে।

কয়েকটি উদাহরণও দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। কোনো কোনো গ্রামের নামের সঙ্গে দুতার শব্দটি যুক্ত ছিল। যার অর্থ—উইগুর বাদ্য়যন্ত্র। অথবা কোনো কোনো নামের সঙ্গে মাজার শব্দটি যুক্ত ছিল। তা বদলে ঐক্য়, সম্প্রীতি, আনন্দের মতো শব্দ বসানো হয়েছে। এই ধরনের শব্দ চীনের শাসক বিভিন্ন জায়গায় ব্য়বহার করে। এই শব্দগুলির সঙ্গে কমিউনিস্ট শাসনের যোগ আছে বলে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য।

এখানেই শেষ নয়, সুফি শব্দ হোজা, হানিকা কিংবা বকসির মতো শব্দও বদলে দেওয়া হয়েছে। অবলুপ্ত করা হয়েছে ১৯৪৯ সালের আগের উইঘুর ইতিহাস

Tag :

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মোখলেসুরের পাশে দাঁড়ালেন জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসার

চীন পাল্টে দিল উইঘুরের মুসলিম গ্রামের নাম

আপডেট: ০৫:০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

নরওয়ের একটি সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে উইগুর মুসলিমদের নিয়ে কাজ করে। তাদের সঙ্গে একত্রে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সেখানে বলা হয়েছে, নিজেদের কমিউনিস্ট আদর্শ প্রচার করতে শিনজিয়াং প্রদেশে তিন হাজার ৬০০টি গ্রামের নাম বদলে দিয়েছে চীনের প্রশাসন।

২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে জাতীয় পরিসংখ্যান বিভাগে নথিভুক্ত ২৫ হাজার গ্রামের নাম নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে সংস্থা দুইটি। সেখানেই তারা দেখতে পেয়েছে, তিন হাজার ৬০০টি গ্রামের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ আছে, এর মধ্যে প্রায় ৬৩০টি গ্রাম সরাসরি উইঘুর মুসলিমদের। তাদের গ্রামের নামের সঙ্গে উইঘুর বা মুসলিম সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট শব্দ যুক্ত ছিল। সেই শব্দগুলো বাদ দিয়ে নতুন নামকরণ করা হয়েছে।

কয়েকটি উদাহরণও দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। কোনো কোনো গ্রামের নামের সঙ্গে দুতার শব্দটি যুক্ত ছিল। যার অর্থ—উইগুর বাদ্য়যন্ত্র। অথবা কোনো কোনো নামের সঙ্গে মাজার শব্দটি যুক্ত ছিল। তা বদলে ঐক্য়, সম্প্রীতি, আনন্দের মতো শব্দ বসানো হয়েছে। এই ধরনের শব্দ চীনের শাসক বিভিন্ন জায়গায় ব্য়বহার করে। এই শব্দগুলির সঙ্গে কমিউনিস্ট শাসনের যোগ আছে বলে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য।

এখানেই শেষ নয়, সুফি শব্দ হোজা, হানিকা কিংবা বকসির মতো শব্দও বদলে দেওয়া হয়েছে। অবলুপ্ত করা হয়েছে ১৯৪৯ সালের আগের উইঘুর ইতিহাস