১১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪, ২ কার্তিক ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রেকর্ডসংখ্যক পুলিশের ওপর হামলা জার্মানিতে

  • আপডেট: ০৯:০৪:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০২৪
  • 28

২০২৩ সালে জার্মানিতে ২ হাজার ৯৭৯ জন পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে। ২০০১ সালে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ শুরুর পর এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যা।

এর মধ্যে গত বছরের জানুয়ারিতে ল্যুটসেরাট গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৪৫ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছিলেন। একটি কয়লাখনি সম্প্রসারণ করতে চাওয়ায় ল্যুটসেরাট গ্রামটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছিল।

এই ঘটনা ঠেকাতে পরিবেশকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। এই সময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওই স্থান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

জার্মান ফেডারেল পুলিশ সোমবার তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হামলার কারণে গতবছর ৭৯৩ জন পুলিশ আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৮৮ জন সদস্য পরবর্তীতে দায়িত্ব পালনে সক্ষম ছিলেন না।

টহল, তদন্তকাজ এবং আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়া ব্যক্তিদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর সময় পুলিশের ওপর বেশি হামলা হয়েছে। এছাড়া রেল চলাচলে নিরাপত্তা দেওয়া ও ফুটবল ম্যাচ চলার সময়ও হামলা হয়েছে।

হামলাকারীদের ৭৮ শতাংশ পুরুষ ছিলেন। আর প্রায় অর্ধেক হামলাকারী ঘটনার সময় মদ্যপ ছিলেন। অনেক হামলাকারীকে পুলিশ আগে থেকেই চিনত। এক-চতুর্থাংশ হামলাকারী আগেও অপরাধে জড়িত ছিলেন।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

রেকর্ডসংখ্যক পুলিশের ওপর হামলা জার্মানিতে

আপডেট: ০৯:০৪:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০২৪

২০২৩ সালে জার্মানিতে ২ হাজার ৯৭৯ জন পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে। ২০০১ সালে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ শুরুর পর এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যা।

এর মধ্যে গত বছরের জানুয়ারিতে ল্যুটসেরাট গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৪৫ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছিলেন। একটি কয়লাখনি সম্প্রসারণ করতে চাওয়ায় ল্যুটসেরাট গ্রামটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছিল।

এই ঘটনা ঠেকাতে পরিবেশকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। এই সময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওই স্থান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

জার্মান ফেডারেল পুলিশ সোমবার তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হামলার কারণে গতবছর ৭৯৩ জন পুলিশ আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৮৮ জন সদস্য পরবর্তীতে দায়িত্ব পালনে সক্ষম ছিলেন না।

টহল, তদন্তকাজ এবং আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়া ব্যক্তিদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর সময় পুলিশের ওপর বেশি হামলা হয়েছে। এছাড়া রেল চলাচলে নিরাপত্তা দেওয়া ও ফুটবল ম্যাচ চলার সময়ও হামলা হয়েছে।

হামলাকারীদের ৭৮ শতাংশ পুরুষ ছিলেন। আর প্রায় অর্ধেক হামলাকারী ঘটনার সময় মদ্যপ ছিলেন। অনেক হামলাকারীকে পুলিশ আগে থেকেই চিনত। এক-চতুর্থাংশ হামলাকারী আগেও অপরাধে জড়িত ছিলেন।