০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজেটের পর দেশ অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে যাচ্ছে : জি এম কাদের এ কথা

  • আপডেট: ০২:৪৯:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪
  • 137

আজ বৃহস্পতিবার (৬ জুন) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের পর সংসদ থেকে বেরিয়ে গণমাধ্যমে বলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, প্রস্তাবিত বাজেট জনবান্ধব বাজেট হতে পারে না ৷ কারণ, বাজেটে সাধারণ মানুষের স্বস্তির কোনো কারণ নেই ৷ বাজেটের পর দেশ একটা বড় অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, গতানুগতিক বাজেট এটা; বিশেষ কিছু নেই৷বেকার সমস্যা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, ডলারের অবমূল্যায়ন, এসব উত্তরণে কোনো পদক্ষেপ নেই বাজেটে। ঘাটতি থাকবে অনেক টাকা। আয়ের চেয়ে ব্যয় হবে বেশি। দেশি-বিদেশি ঋণ বাড়বে। ঋণ পরিশোধে নতুন করে ঋণের পথে হাঁটছে সরকার।

বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, বাজেটে বিপুল অংক ঋণনির্ভর। করের বোঝা বাড়বে জনগণের ওপর। মানুষ কোনোভাবেই স্বস্তি পাবে না। গরিব মানুষের জন্য কিছু আছে বাজেটে, এটা মনে করি না। তিনি বলেন, সরকার বিদ্যুৎ খাতকে বলেন অর্জনের, আমরা বলি লজ্জার খাত এটা। ক্যাপাসিটি পেমেন্টের মাধ্যমে ডলার চলে যাচ্ছে বাইরে।

Tag :

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় লন্ডন-বাংলা প্রেস ক্লাবের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

বাজেটের পর দেশ অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে যাচ্ছে : জি এম কাদের এ কথা

আপডেট: ০২:৪৯:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪

আজ বৃহস্পতিবার (৬ জুন) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের পর সংসদ থেকে বেরিয়ে গণমাধ্যমে বলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, প্রস্তাবিত বাজেট জনবান্ধব বাজেট হতে পারে না ৷ কারণ, বাজেটে সাধারণ মানুষের স্বস্তির কোনো কারণ নেই ৷ বাজেটের পর দেশ একটা বড় অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, গতানুগতিক বাজেট এটা; বিশেষ কিছু নেই৷বেকার সমস্যা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, ডলারের অবমূল্যায়ন, এসব উত্তরণে কোনো পদক্ষেপ নেই বাজেটে। ঘাটতি থাকবে অনেক টাকা। আয়ের চেয়ে ব্যয় হবে বেশি। দেশি-বিদেশি ঋণ বাড়বে। ঋণ পরিশোধে নতুন করে ঋণের পথে হাঁটছে সরকার।

বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, বাজেটে বিপুল অংক ঋণনির্ভর। করের বোঝা বাড়বে জনগণের ওপর। মানুষ কোনোভাবেই স্বস্তি পাবে না। গরিব মানুষের জন্য কিছু আছে বাজেটে, এটা মনে করি না। তিনি বলেন, সরকার বিদ্যুৎ খাতকে বলেন অর্জনের, আমরা বলি লজ্জার খাত এটা। ক্যাপাসিটি পেমেন্টের মাধ্যমে ডলার চলে যাচ্ছে বাইরে।