০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেঁয়াজ দাম কমাতে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার

  • আপডেট: ০৬:৩৩:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪
  • 133

পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানি শুল্ককর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে পেঁয়াজ আমদানির ঋণপত্রে (এলসি) ছাড় দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৬ নভেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এক আদেশে শুল্ককর প্রত্যাহার করেছে। অপরদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক নির্দেশনায় পেঁয়াজ আমদানিতে ঋণপত্র স্থাপনে ছাড় দিয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানায়, পেঁয়াজের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ও সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে পেঁয়াজ আমদানির ওপর বিদ্যমান আমদানি শুল্ক এবং রেগুলেটরি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। আগে এই শুল্ক ছিল ১০ শতাংশ। এর ফলে পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে কোনপ্রকার শুল্ক-কর আরোপযোগ্য রইলো না। এতে পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাজারে সরবরাহ বাড়বে। ফলে পেঁয়াজের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে বলে মনে করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

অপরদিকে, মূল্য সহনীয় রাখতে পেঁয়াজসহ ১১ পণ্যের আমদানিতে ছাড় দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, পণ্যগুলো আমদানির ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে সংরক্ষিতব্য নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে এসব পণ্য আমদানিতে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণ করা হতো। যেসব পণ্য আমদানিতে ছাড় দেওয়া হলো- চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ডিম, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুর।

Tag :
সর্বাধিক পঠিত

‘বাজেটে মদ-সিগারেটের ওপর ট্যাক্স বাড়ানোয় চরম নাখোশ বিরোধী দল’ -প্রধানমন্ত্রী

পেঁয়াজ দাম কমাতে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার

আপডেট: ০৬:৩৩:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪

পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানি শুল্ককর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে পেঁয়াজ আমদানির ঋণপত্রে (এলসি) ছাড় দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৬ নভেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এক আদেশে শুল্ককর প্রত্যাহার করেছে। অপরদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক নির্দেশনায় পেঁয়াজ আমদানিতে ঋণপত্র স্থাপনে ছাড় দিয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানায়, পেঁয়াজের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ও সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে পেঁয়াজ আমদানির ওপর বিদ্যমান আমদানি শুল্ক এবং রেগুলেটরি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। আগে এই শুল্ক ছিল ১০ শতাংশ। এর ফলে পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে কোনপ্রকার শুল্ক-কর আরোপযোগ্য রইলো না। এতে পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাজারে সরবরাহ বাড়বে। ফলে পেঁয়াজের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে বলে মনে করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

অপরদিকে, মূল্য সহনীয় রাখতে পেঁয়াজসহ ১১ পণ্যের আমদানিতে ছাড় দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, পণ্যগুলো আমদানির ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে সংরক্ষিতব্য নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে এসব পণ্য আমদানিতে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণ করা হতো। যেসব পণ্য আমদানিতে ছাড় দেওয়া হলো- চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ডিম, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুর।